এলএনজিবাহী জাহাজের স্থানীয় প্রতিনিধি ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের সিনিয়র উপমহাব্যবস্থাপক নুরুল আলম জানান, এলএনজিবাহী আরও একটি জাহাজ এখনো হরমুজ প্রণালি অন্যপাশে আটকে আছে। জাহাজটিতে এলএনজি বোঝাই করা হলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে এটি অপেক্ষায় আছে।
হরমুজ প্রণালি পার হয়ে এল ১৫ জাহাজ
ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধ শুরু হবার আগে হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগর পার হয়ে আসা ১৫টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করেছে। ইরানের হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার ঘোষণার আগেই এসব জাহাজ সেই পথ অতিক্রম করেছিল। ইতোমধ্যে ১২টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে এবং বাকিগুলো চলতি সপ্তাহে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের দেয়া তথ্য মতে, কাতার থেকে ‘আল জাসাসিয়া’ এবং ‘আল জোর’ নামে দুটি জাহাজ ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এসব জাহাজে এলএনজি আছে প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার টন। এলপিজি নিয়ে ‘সেভান’ নামে একটি জাহাজ আগামী দুই দিনের মধ্যে চট্টগ্রাম পৌঁছানোর কথা আছে। এছাড়া এ সপ্তাহের শেষের দিকে ‘আল গালায়েল’ এবং ‘লুসাইল’ নামে আরও দুটি জাহাজ বন্দরের জলসীমায় পৌঁছাতে পারে। এই দুই জাহাজে এলএনজি রয়েছে প্রায় ১ লাখ ২১ হাজার টন। কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে যুদ্ধ শুরু হবার দুই থেকে সাত দিন আগেই এসব জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে।
এলএনজিবাহী জাহাজের স্থানীয় প্রতিনিধি ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের সিনিয়র উপমহাব্যবস্থাপক নুরুল আলম জানান, এলএনজিবাহী আরও একটি জাহাজ এখনো হরমুজ প্রণালি অন্যপাশে আটকে আছে। জাহাজটিতে এলএনজি বোঝাই করা হলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে এটি অপেক্ষায় আছে।

Comments
Post a Comment